চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন এলাকায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ হাজার ৯২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৭ জানতে পারে যে কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাসযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে পাচার করা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটে র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল আনোয়ারা থানাধীন সরকারহাট গরুর এলাকায় চট্টগ্রাম–বাঁশখালী সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন তল্লাশি শুরু করে।
তল্লাশিকালে র্যাবের চেকপোস্টে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা দুই যাত্রীকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন— মোছা. শমসিদা (৩২), স্বামী ইউনুস, সাং বানিয়ার দোকানপাড়া, থানা মহেশখালী, জেলা কক্সবাজার এবং রোহিঙ্গা নাগরিক মো. তৈয়ব (৪৫), পিতা মৃত লাল মিয়া, সাং কুতুপালং, থানা উখিয়া, জেলা কক্সবাজার।
পরবর্তীতে আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে বহন করা ১৬টি বান্ডেলে সংরক্ষিত ১৫০টি পলিজার প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৩০ হাজার ৯২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, সিডিএমএস পর্যালোচনায় আটককৃত রোহিঙ্গা নাগরিক মো. তৈয়বের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালী থানা ও চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানায় মাদক সংক্রান্ত দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামি ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আনোয়ারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।।
আমারবাঙলা/এনইউআ