বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় শোকের দ্বিতীয় দিন পালিত হচ্ছে। গতকাল বুধবার থেকে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে আজও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একইভাবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সকল মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও তার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই শোক কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার গভীর শোক প্রকাশ করছে। তার স্মরণে বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে শুক্রবার, ২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২৩ নভেম্বর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
বুধবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তাকে দাফন করা হয়। তার আগে বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে তার স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমারবাঙলা/এসএবি