ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সিদ্ধান্তের ফলে সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসসহ পিএ ও পিএলও (ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন)-এর কর্মকর্তাদের ভিসা বাতিল ও প্রত্যাখ্যান করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদিও জাতিসংঘ সদরদপ্তর সংক্রান্ত চুক্তির আওতায় ফিলিস্তিনি মিশনের সদস্যরা যে বিশেষ ভিসা সুবিধা পেয়ে থাকেন, তা এখনো বহাল থাকবে।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে একটি অভ্যন্তরীণ সরকারি বার্তা। এতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছে, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এবং ফিলিস্তিনি অথরিটির সদস্যদের ভিসা বাতিল এবং প্রত্যাখ্যান করা হবে।
তিনি আরো বলেন, শান্তি আলোচনায় তাদেরকে গুরুতর অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করার আগে সন্ত্রাসবাদকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করতে হবে। পাশাপাশি, একটি কাল্পনিক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের একতরফা স্বীকৃতি চাওয়ার প্রচেষ্টা বন্ধ করতে হবে, যা কোনোভাবেই ফলপ্রসূ নয়।
উল্লেখ্য, এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে ফ্রান্স, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই পটভূমিতে মাহমুদ আব্বাসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
আমারবাঙলা/এফএইচ