কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট পাহারা নিশ্চিত করতে হবে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। রেজাল্ট শিট হাতে নিয়েই কেন্দ্র থেকে বের হতে হবে। যার যার কেন্দ্রের ভোট সেই কেন্দ্রের মানুষই পাহারা দেবেন। এক কেন্দ্রের মানুষ অন্য কেন্দ্রে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ ১৮ বছরের সংগ্রাম ও নির্যাতনের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। এই ভোটের মাধ্যমেই স্বাধীনভাবে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং এর মধ্য দিয়েই দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই দিনটিকে কোনোভাবেই হেলা-ফেলা করা যাবে না। ধানের শীষের একটি ভোটও যেন নষ্ট না হয়, এটা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব, বলেন তিনি।
তিনি আজ চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান’র ধানের শীষের সমর্থনে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে থেকে খুলশী থানাধীন ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড ও ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় যুবদল, ছাত্রদলের গণসংযোগকালে পথসভায় এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন. কিছু লোক মা-বোনদের বাড়িতে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর চাইছে। কেউ এমন কিছু চাইলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানাবেন। ভোটার আইডি কার্ড প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ, এটি চাওয়ার অধিকার কারো নেই। এটি নির্বাচন ধ্বংসের ষড়যন্ত্র।
এসময় ভোটারদের উদ্যেশ্যে মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন বলেন, 'আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতাসীন হলে রাষ্ট্র ও সমাজ পুনর্গঠনে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ধানের শীষের বিজয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় আমাদের। বিএনপি অতীতে যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে, ততবারই দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছে। ধানের শীষের বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবারও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে-ইনশাআল্লাহ।
গণসংযোগকালে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি শাহেদ আকবর, একেএম ফজলুল হক সুমন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, আবু সুফিয়ান, খুলশী থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, নগর যুবদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল পলাশ, মহানগর যুবদল নেতা আশিক মল্লিক, মুহাম্মাদ সাগির, মনোয়ার হোসেন মানিক, আবদুল আউয়াল টিপু, গোলজার হোসেন মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল হালিম গুড্ডু, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুর রহমান(মাস্টার আরিফ), যুবদল নেতা ইউনুছ মুন্না, আবদুল করিম, সাখাওয়াত কবির সুমন, জাহিদ হাসান, নাসির উদ্দিন পিন্টু, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহবায়ক বাদশা আলমগীর, জহিরুল ইসলাম জহির, খুলশী থানা ছাত্রদলের আহবায়ক ওমর ফারুক, সি. যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম, পাহাড়তলী কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শিপন, ওমরগণি এম.ই.এস. কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. ফারুক, লালখান বাজার ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন রনি, থানা যুবদল নেতা মো হানিফ, মো. মানিক, মোহাম্মদ সুজন, মোহাম্মদ মুছা, সাদ্দাম হোসেন সাইফ, মোহাম্মদ জামাল, মো. মোশাররফ, মো. জাবেদ, আবদুল বাতেন, সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ কালাম, নুর হোসেন নুরু, মো. শাকিল, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ শাহেদ, মো. রাসেল, মোহাম্মদ সাত্তারসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি