জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে শিক্ষা ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্যের অনন্য নজির স্থাপন করেছে বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসা। উপজেলা পর্যায়ে মাদ্রাসা ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি আবারও প্রমাণ করেছে-গুণগত শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার সমন্বয়ই তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
শুধু প্রতিষ্ঠানই নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়েও এই মাদ্রাসার সাফল্য প্রশংসার দাবিদার। শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও দক্ষ নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মাদ্রাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ ড. মো. রুহুল আমীন খান শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, আধুনিক শিক্ষাভাবনা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ গঠনের ফলেই প্রতিষ্ঠানটি আজ এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।
পাঠদানে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতার জন্য এস. এম. আব্দুল গণি শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর সৃজনশীল পাঠদান ও নিয়মিত তত্ত্বাবধান শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সানজিদা বিনতে জাকির শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ এই অর্জনকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।
এই গৌরবময় সাফল্য মূলত মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের নিরলস পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগেরই প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বিজয়ীদের জানানো হয়েছে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ প্রজন্ম গড়ে তুলতে তারা আরও আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
আমারবাঙলা/এসএ