শীতের প্রকোপ এখন দেশের উত্তরের ও মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় স্পষ্ট।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয়েছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীতের শীতলতম দিন হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, আগামী তিন থেকে চার দিন তাপমাত্রায় কিছু ওঠানামা থাকতে পারে। তবে মাসের ১০ বা ১১ তারিখের দিকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে,
এবারের শীতের তাণ্ডব দেশের অন্তত ১০টি জেলায় বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহ বইছে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি মধ্যম, ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি তীব্র এবং ৪ ডিগ্রির নিচে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। অর্থাৎ বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে।
চলতি মাসের শুরুতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, জানুয়ারিতে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এই শীতের ঢেউ আগামী কয়েকদিনে দেশের উত্তরাঞ্চলে আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে।
শীতের তাণ্ডবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, রাজধানীসহ দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে রাতের সময় ঘন কুয়াশা এবং ঠাণ্ডা হাওয়া কর্মজীবী ও পথচারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
আমারবাঙলা/এসএবি