নির্বাচনী প্রচারণার ভিন্ন কৌশল বেছে নিয়ে পেকুয়ায় শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছে বিএনপি। কক্সবাজার–১ আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ গণমিছিলে বিপুল জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৃথক পথসভা ও গণসংযোগ কার্যক্রম পরিহার করে একটি টানা গণমিছিলের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালান সালাহউদ্দিন আহমেদ। এতে পেকুয়া বাজার ও আশপাশের এলাকায় দিনভর সৃষ্টি হয় নির্বাচনী উত্তাপ।
পেকুয়া বাজার থেকে শুরু হওয়া গণমিছিলটি সাকোড় পাড় স্টেশনে গিয়ে শেষ হয়। প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ পথজুড়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মিছিলটি ধীরগতিতে অগ্রসর হয়। পুরো কর্মসূচি শেষ হতে সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা।
সংক্ষিপ্ত পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন,
“আগামীকাল বিকাল ২টায় চকরিয়ায় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবাইকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টার মধ্যে প্রচারণা শেষ করতে হবে।”
জনসমাগমের বিষয়ে তিনি বলেন,
“আজ পেকুয়ায় যে দৃশ্য দেখেছি, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়—কক্সবাজারসহ সারাদেশে ধানের শীষ বিজয়ের পথে রয়েছে।”
ভোটের দিন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন,
“প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে সজাগ থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে। মা-বোনেরা যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টি সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“দীর্ঘ ১৬ বছর জনগণ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ইনশাআল্লাহ, এবারের নির্বাচন নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা করবে। ভবিষ্যতে যেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আর রক্ত ঝরাতে না হয়—সেটাই আমাদের লক্ষ্য।”
গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ, মহিলা দলের সভানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ঝিনুসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আমারবাঙলা/এনইউআ