চন্দনাইশের দোহাজারী জামিজুরী এলাকায় চার কন্যার জননী সালমা আকতার (৩৫)কে হত্যা করে পালিয়েছে স্বামী। স্থানীয়রা জানায়, গত রবিবার রাতেই নুরুল হুদা তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সালমা বাক প্রতিবন্ধী ছিলেন। প্রায় পাঁচ বছর আগে নুরুল হুদা কোথা থেকে তাকে নিয়ে এসেছে, তা কেউ জানে না। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত স্বামী ইতিমধ্যেই তার দুই শিশু কন্যাকে বিক্রি করেছে। বড় মেয়ে নুর জাহান (৪) দাদীর সঙ্গে রয়েছে। নুরুল হুদা তাকে বিক্রি করার চেষ্টা করলেও পরিবার ও প্রতিবেশীদের বাধার মুখে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি ১২ দিনের এক কন্যা শিশুকেও বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সালমাকে ডেলিভারি পরও নুরুল হুদা মারধর করত। সম্প্রতি চুরির অভিযোগে ধরা পড়ার পর এলাকাবাসী নুরুল হুদাকে মারধর করে আটক করেছিল।
চন্দনাইশ থানা পুলিশ সোমবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। চন্দনাইশ থানার ওসি মোঃ ইলিয়াছ হোসেন জানিয়েছেন, ৯৯৯-এ ফোনে সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়।
অভিযুক্ত নুরুল হুদা ঘটনার পর থেকে পলাতক। পুলিশ তাকে ধরতে তৎপর রয়েছে।
আমারবাঙলা/এনইউআ