ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম বলেছেন, এদেশে জনগণ গণভোটের মাধ্যমে যেটা ডিসাইড করে দিয়েছেন সেটা নিয়ে কেন বিতর্ক করছেন, জনগণ হ্যা ভোট দেওয়ার পরে সংসদে এটা নিয়ে আলোচনার করার কোন অধিকার নাই।৭০% মানুষ গণভোটে হ্যাঁ'কে বিজয়ী করেছে,বিএনপি গণভোটে না এর পক্ষে ছিল,তাহলে ৭০% মানুষ জামায়াতকে ভোট দিয়েছিল,বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে তা ছিনিয়ে নিয়েছে।
বুধবার(১৮ মার্চ) বেলা ১২ টায় লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলাম লক্ষ্মীপুর শহর শাখা কর্তৃক আয়োজিত ফুড প্যাকেজ বিতরণ কালে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ১ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনাকে জিজ্ঞেস করতে চাই, জুলাই আন্দোলন যদি না হতো এদেশের অনেক রাজনৈতিক দলের নেতা এদেশের মাটিতে পা ছুঁতে পারতো না।
তিনি আরো বলেন, আমরা জামায়াতের পক্ষ থেকে ফুড প্যাকেট নিয়ে আসলাম,কিন্তু রাষ্ট্রের প্যাকেট গেল কোথায়.?রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখানে যে চাউল বরাদ্দ হয়েছিল সেগুলো কোথায়.? এখানে খেজুর বরাদ্দ এসেছিল সেগুলো কার পেটে গিয়েছে? সেটা জানতে চাই, ঈদের এমপির জন্য অসহায় মানুষের ঈদ উপহার হিসেবে ১০ লক্ষ টাকা এসেছে কেউ পায় নাই, যদি কেউ বলেন যে আমরা দিয়েছি তাহলে বলতে হবে বিএনপি'র মধ্যে সব অসহায় লোক? বিএনপি কি অসহায়ের দল নাকি, সব অসহায় এতিম বিধবা এই দলেই আছে আর কোন দলে নাই? চাল খেজুর ঈদের উপহার ১০ লক্ষ টাকা আসছে আপনারা পান নাই তাহলে এই গুলো খেয়ে পেলা হয়েছে। শাড়ী থ্রী-পিচ আসছে আমরা কিন্তু আগে এই গুলো জানতাম না, কারন আগে আমরা রাস্তায় রাস্তায় বিরোধী দল ছিলাম, এখন কিন্তু আমরা সরকারের অংশ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল। সুতরাং আগে হজম করতে পেরেছেন এখন হজম করতে সময় লাগতে পারে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যা, শহর জামায়াতের আমির এড. আবুল ফারহান নিশান, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি হারুনুর রশীদ,এড. মিরন সহ জামায়াতের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
আমার বাঙলা/আরএ