ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রায় ২০০ জন ফেরত আসছেন। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশিদের ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৯ মার্চ প্রথম ধাপে বাংলাদেশিদের ঢাকায় ফেরানোর প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০০ বাংলাদেশিকে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু হয়ে ঢাকায় ফেরানোর প্রস্তুতি চলছে। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরাতে একটি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইরান থেকে বাংলাদেশিদের ফেরানোর বিষয়টি তদারকি করবেন তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক। এ জন্য তাঁকে আজারবাইজান পাঠানো হচ্ছে।
তেহরান থেকে আজারবাইজান সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছানোর সমন্বয়টি করছে ইরান কর্তৃপক্ষ, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও বাংলাদেশ দূতাবাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের ইরান থেকে ফিরিয়ে আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকসহ বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই ধাপে ফিরিয়ে আনতে প্রায় ৩০০ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
ঢাকা ও তেহরানের কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির কারণে এ মাসের প্রথম দিকে আজারবাইজানের ইরান দূতাবাস বন্ধ হয়ে গেছে। তাই ইরান থেকে বাংলাদেশের লোকজনকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি সমন্বয়ের জন্য তুরস্কে বাংলাদেশ দূতাবাস আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এর পাশাপাশি ভিসা অনুমোদনসহ বাংলাদেশের লোকজনের আজারবাইজান থেকে ঢাকা ফেরার বিষয়ে অনুমতি পেতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন দেশটির দূতাবাসের সঙ্গে কাজ করছে।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, দিল্লির আজারবাইজান দূতাবাসে দুই ধাপে ২০২ ও ৭২ জনের অন অ্যারাইভাল ভিসার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ওই ২৭৪ জনের অন অ্যারাইভাল ভিসার অনুমোদন দিয়েছে আজারবাইজান।
আমার বাঙলা/আরএ