ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফাহিম আহমেদের চিকিৎসা অর্থের অভাবে থেমে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলতে এখন প্রয়োজন আরও প্রায় ৬ লাখ টাকা। কিন্তু ইতোমধ্যে সহায়-সম্বল সব বিক্রি করে চিকিৎসা চালানো পরিবারটির পক্ষে এ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।
ফাহিম আহমেদ কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষাঢ়ু গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও ফেন্সি আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিয়মিত কেমোথেরাপি ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে ফাহিম স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। ইতোমধ্যে চিকিৎসায় তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতিও হয়েছে।
তবে কেমোথেরাপি ও ওষুধের ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম অর্থ সংকটে পড়েছে।
ফাহিমের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, “আমার ছেলেটা এখন আগের চেয়ে ভালো আছে। ডাক্তার বলেছেন, নিয়মিত চিকিৎসা চালাতে পারলে সে সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য যা ছিল সব বিক্রি করে এখন আমি নিঃস্ব।”
পরিবারের সদস্যরা জানান, এখন মানুষের সহায়তা ছাড়া ছেলেটার চিকিৎসা চালানো সম্ভব নয়।
ফাহিমের দাদা আব্বাছ আলী বলেন, “নাতির চিকিৎসার জন্য বাড়িঘর, দোকান সব বিক্রি করেছি।
এখন নিজেরাও দুবেলা খেয়ে, না খেয়ে কষ্টে আছি।
তবু নাতিটাকে বাঁচাতে চাই।”
মা ফেন্সি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার সন্তান অন্য বাচ্চাদের মতো খেলতে চায়, স্কুলে যেতে চায়।
অন্য বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়া দেখে সে আমায় জড়িয়ে ধরে বলে, মা আমি কবে স্কুলে যাব? এই কথা শুনলে বুক ভেঙে যায়। আমরা সব বিক্রি করে শেষ করেছি। এখন কীভাবে চিকিৎসা করাব, বুঝতে পারছি না।”
একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে সহায়-সম্বল বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
তারা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা:
মো. মিজানুর রহমান (ফাহিমের পিতা)
মোবাইল (বিকাশ/নগদ): ০১৭৬৭২৮০০১১
অগ্রণী ব্যাংক, রাজারহাট শাখা: ০২০০০২৩৩৫৩৭৮৩
ডাচ-বাংলা ব্যাংক, কুড়িগ্রাম শাখা:
আমার বাঙলা/আরএ