সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাত বছর পর চীনে গেছেন।
চীনের তিয়ানজিনে রবিবার (৩১ আগস্ট) থেকে দুই দিনের এসসিও সম্মেলন শুরু হচ্ছে। তার একদিন আগেই শনিবার তিয়ানজিনে পৌঁছেছেন মোদী।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, তিয়ানজিনে প্রবাসী ভারতীয়রা মোদীকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন আর শুল্ক নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়েরও দ্বৈরথ চলছে। এ পরিস্থিতিতে রবিবার (৩১ আগস্ট) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদী।
২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর ভারত ও চীনের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ওই উত্তেজনা এখন কমে এসেছে আর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে নয়া দিল্লি ও বেইজিং কাজ করে চলছে।
ধারণা করা হচ্ছে, শি-মোদী বৈঠকের মূল লক্ষ্য হবে চীন-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নের গতি বজায় রাখা।
চীনে যাওয়ার আগে জাপান সফরে ছিলেন মোদী। সেখানে এক সাক্ষাৎকারে মোদী বলেছেন, ভারত ও চীনের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ‘আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব’ রাখবে।
মোদী বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আমি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে এখান থেকে তিয়ানজিন যাচ্ছি। গত বছর কাজানে প্রেসিডেন্ট শিয়ের সঙ্গে বৈঠকের (রাশিয়ায় এসসিওর বৈঠক) পর থেকে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্থির এবং ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে।
‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই জাতি, ভারত ও চীনের মধ্যে স্থিতিশীল, অনুমানযোগ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে। এটি বহু মেরুর এশিয়া ও বিশ্বের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’
এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে মোদী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় মিলিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দুই নেতা ট্রাম্পের শুল্ক, ইউক্রেইন যুদ্ধ ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আমারবাঙলা/এফএইচ