চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে গুলিতে মো. মুজিবুর রহমান (৫০) কে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম। তিনি জানান, গত রাতে নিহতের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বেগম বাদি হয়ে ৩জনকে এজাহার নামীয় এবং আরও ৩-৪জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। শীগগরই আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাউজান উপাজেলা পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের অলিমিয়া হাট বাজারে মফিজ সওদাগরের ফলের দোকানের ভেতরে কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মুজিবের শরীরের দুটি গুলি এবং সড়কের উপর মাথায় আরও একটি গুলি করে হত্যা করা হয়। জানা যায়, স্থানীয় যুবক-যুবতীর প্রেম ঘটিত সালিশি বৈঠকের বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত মুজিব ওই ওয়ার্ডের আনজু পিতার বাড়ির প্রয়াত আবদুল মোনাফের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী এবং রাউজানের নবনির্বাচিত এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে দাবি করেছে তার পরিবার। নিহতের স্ত্রী ও মামলা বাদি শাহানাজ বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী এক সময় প্রবাসে ছিলেন। গত ২০ বছর আগে দেশে ফিরে বিএনপির সক্রীয় রাজনীতি করতেন। এ কারণে তাকে অনেক অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িত কয়েকজনকে শনাক্ত করার পর আমি তাদের নাম উল্লেখ করে এজাহার দিয়েছি। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ রাউজান থনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, একটি সালিশি বৈঠকের দেন দরবার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ঘটনাটি সংঘঠিত হয়। তবে এজাহারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। যেহেতু এজাহার নামীয় আসামী আছে সেহেতু দ্রুত গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।
আমারবাঙলা/এনইউআ