কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চাম্পা (৪৫) নামে এক নারীর রহস্যজনক ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ইউসুপপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করছেন এবং তাঁর ছেলে ঢাকায় পড়াশোনা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রবিবার রাতে চাম্পা ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে যান। সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে তাকান। এ সময় তাঁরা গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় চাম্পাকে দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, নিহত চাম্পা ওই বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন। কারণ তাঁর স্বামী ও ছেলে কেউই বাড়িতে থাকেন না। তবে ঘটনার পর বাড়ির আশপাশে কয়েকজন মানুষের পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গেছে। এতে এলাকাবাসীর ধারণা, এটি আত্মহত্যা নাও হতে পারে। তাঁদের সন্দেহ, কেউ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের ডাবের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি সন্দেহজনক। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
আমারবাঙলা/এসএবি