বিশ্ববিদ্যালয়ের রঙিন ক্যাম্পাস হোক কিংবা শহরের ব্যস্ত রাজপথ-আজকাল যেকোনো সুন্দরী মুখের পেছনে আলোচনায় উঠে আসে একটি নাম, ফাইজা জাহান। সৌন্দর্য, মেকআপ ও চুলের যত্নে নিজস্ব প্রতিভা দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন ব্যতিক্রমী সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তবে ফাইজা শুধু মেকআপ আর হেয়ার কেয়ারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন; তিনি হয়ে উঠেছেন আত্মবিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
ফাইজা জাহানের মেকআপ দর্শন একটু আলাদা। তার কাছে মেকআপ মানে কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং নারীদের ভেতরের আত্মবিশ্বাসকে জাগিয়ে তোলার একটি মাধ্যম। তার সৃজনশীল হাতে প্রতিটি কাজ যেন নারীদের নতুনভাবে নিজেদের চিনতে শেখায়।
ফাইজা বলেন,“মেকআপ মানেই শুধু রঙের খেলা নয়, এটি আত্মবিশ্বাসের নাম। যখন চোখ, হাসি কিংবা মুখের কোনো বিশেষ অংশ নিজের আলোয় ঝলমল করে ওঠে, তখনই বোঝা যায় সৌন্দর্য সত্যিই প্রকাশ পেয়েছে।”
নিজের মেকআপ কৌশল, পেশাদার পরামর্শ এবং অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ফাইজা প্রমাণ করেছেন-প্রতিটি নারীই আলাদা, প্রতিটি সৌন্দর্যই অনন্য। তার বিশ্বাস, সঠিক দিকনির্দেশনা আর নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলেই যে কেউ নিজের সৌন্দর্যকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারে।
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন,“আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটা নারীই অনন্য। তাকে শুধু নিজের সৌন্দর্যকে তুলে ধরার জন্য একটু সহায়তা দরকার। আমি চাই প্রতিটি মেয়ে জানুক-তুমিও পারো।”
সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে ফাইজার পথচলা সহজ ছিল না। শুরুটা হয়েছিল ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আগ্রহই রূপ নেয় পেশাদার দক্ষতায়। বর্তমানে তিনি এই শিল্পের একজন স্বনামধন্য প্রশিক্ষক হিসেবেও পরিচিত, যিনি নতুন প্রজন্মের মেকআপ শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
ফাইজা জাহানের দৃষ্টিভঙ্গি শুধু সৌন্দর্যচর্চায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি নারীদের আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসার একটি শক্ত বার্তা বহন করে। তার মতে,“সৌন্দর্য শুরু হয় তখনই, যখন আমরা নিজেকে ভালোবাসতে শিখি।”
ফাইজা জাহানের কাজ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়-সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বন্দী নয়। এটি একটি মুক্ত অনুভূতি, যা গড়ে ওঠে ভালোবাসা, যত্ন আর আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে।
আমাবাঙরা/এসএ