আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা চার দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। অনেকের কাছে এই ‘ভোটের ছুটি’ যেন আরেকটি ঈদের আনন্দ বয়ে এনেছে। কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ।
নির্বাচন উপলক্ষে সরকারিভাবে ছুটি দেওয়া হলেও, ভোট প্রদান বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক নয়। তবুও নাগরিক দায়িত্ববোধ ও গণতন্ত্রের প্রতি আস্থার জায়গা থেকে বহু মানুষ নিজ উদ্যোগে, নিজস্ব অর্থ ব্যয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরছেন ভোট দেওয়ার জন্য। সময় ও খরচের বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়েই তারা অংশ নিতে চান এই জাতীয় উৎসবে।
এবারের নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ চতুর্থবারের মতো একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকারের সাধারণ নির্বাচন। একই দিনে একাধিক ভোটগ্রহণের কারণে মানুষের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের ভিড় তারই প্রমাণ দিচ্ছে।
বিশেষ করে জুলাই মাসের আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের জন্য ভালো কিছু হওয়ার পথ সুগম হবে। সেই প্রত্যাশা ও আশার জায়গা থেকেই ভোটকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো।
সব মিলিয়ে, ভোটের ছুটিতে বাড়ি ফেরা শুধু একটি ভ্রমণ নয় এটি এখন গণতন্ত্রে অংশগ্রহণ, পরিবারে ফেরা এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের এক সম্মিলিত অনুভূতি।
আমারবাঙলা