গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) বেলা একটায় মুঠোফোনে প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হকের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নুরুল হক প্রধান উপদেষ্টাকে শুক্রবারের (২৯ আগস্ট) ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ প্রধান উপদেষ্টার ফোন দেওয়ার বিষয়টি জানান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এবং প্রেস সচিব শফিকুল আলম নুরুল হককে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত নুরুল হকসহ ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গণ অধিকার পরিষদ বলেছে, (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় জাপার নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। তবে জাপা বলেছে, মিছিল নিয়ে এসে জাপার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) (২৯ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
নুরুল হকের চিকিৎসায় উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, নুরুল হকের মাথায় আঘাত রয়েছে। তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে। যে কারণে (২৯ আগস্ট) অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছিল। আগেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে ও জ্ঞান ফিরেছে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে নুরুল হক আশঙ্কামুক্ত কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
আমারবাঙলা/এফএইচ