জাতীয়

কাকরাইলে সংঘর্ষের ঘটনা প্রসঙ্গে যা জানাল সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়। এছাড়াও বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সকল চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলস্বরূপ, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজ রাত আনুমানিক ৮টায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।’

বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, ‘ঘটনার শুরুতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে স্থান ত্যাগ করার জন্য ও দেশের বিদ্যমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়। তবে বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও কতিপয় নেতাকর্মীরা তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে। তারা সংগঠিতভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়। এছাড়াও বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সকল চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলস্বরূপ, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।’

আজকের উদ্ভূত ঘটনায় সেনাবাহিনীর ৫ জন সদস্য আহত হয় বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী বলে, 'সকল ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সকল ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।'

আমারবাঙলা/জিজি

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে ; সেতু সচিব

প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু/টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদে...

জরুরি বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্য

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি...

বিকালে স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৫ জন ব...

স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন জোবেরা লিনু

ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ পদক পেয়েছেন সাবেক ক...

নিউজিল্যান্ড সিরিজে টাইগারদের র‍্যাঙ্কিং সমীকরণ

আসন্ন বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার পথে এগিয়ে যেতে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিং...

শ্রীমঙ্গলে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রশিক্ষণ

দেশব্যাপী আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন।...

কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে ; সেতু সচিব

প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু/টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদে...

ঋণের বোঝা নিয়ে পারিবারিক কলহ, ওড়না পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহের জেরে ইসমত হোসাইন তাকিব (২...

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি, পেকুয়ায় নিখোঁজ ১২

মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলার আন্দামান সাগর-এ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কক...

নিজেই বিধ্বস্ত লামার ২০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি

পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় গজালিয়া ইউনিয়নে এমন হাসপাতালও দেশে আ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা