বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, প্রবীণ আইনজীবী এবং কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, সংসদ সদস্য হলেও জীবিকা নির্বাহের জন্য এখনো নিয়মিত আইন পেশায় কাজ করতে হয়। তাঁর ভাষ্য, শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে পাওয়া বেতন-ভাতায় সংসার চালানো সম্ভব নয়।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রতি সপ্তাহে নির্বাচনি এলাকায় যেতে হয়। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এলাকায় থাকলে যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে পাওয়া ভাতা প্রায় শেষ হয়ে যায়। তাই সংসদ অধিবেশন না থাকলে আদালতে ওকালতি করেন। এমনকি সংসদের বৈঠক বিকেলে থাকলে সকালেও আদালতে মামলা পরিচালনা করেন।
ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে স্ত্রী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখার অবদানের কথা উল্লেখ করে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি শুধু জীবনসঙ্গী নন, বরং তাঁর রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনের অন্যতম প্রধান সহযোগী। তাঁর ভাষায়, “উনি আমার হেল্পিং হ্যান্ড বললে কম বলা হবে, সমস্ত কিছু মিলিয়েই আমরা।”
স্ত্রীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি জানান, অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও আইন পেশার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান এবং অতীতে বার অ্যাসোসিয়েশন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি প্রায় দুই দশক আগে তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
স্ত্রীর রাজনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি নিজস্ব যোগ্যতায় রাজনীতি করেন। দল প্রয়োজন মনে করলে তাঁরও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ ও দায়িত্ব পাওয়া উচিত।
আমার বাঙলা/ তালহা