সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

গাজায় নিহত আরো ১৯, মৃত্যু ছাড়াল ৪৪ হাজার ৮০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনের গাজায় আরো ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪৪ হাজার ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া চলমান এই হামলায় আহত হয়েছেন আরো লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় কমপক্ষে আরো ১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। বুধবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিরামহীন এই হামলায় আরো অন্তত এক লাখ ছয় হাজার ২৫৭ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ১৯ জন নিহত এবং আরো ৬৯ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এ ছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এ ছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

কলাপাড়ায় বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন গ্রামীণ নারী-পুরুষ

দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় ও পুষ্টিসমৃদ্ধ মাছ চাষের মাধ্যমে গ্রামীণ...

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব শুরু

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী ‘৪র্থ আন্তর্জাত...

মেসির স্বপ্নভঙ্গের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর...

বালি অপসারণের নামে ফসলি জমি লুটপাট

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার এলঙ্গী এলাকায় গড়াই নদীর ড্রেজিংকৃত বালি অপসারণের...

আড়াই মাসের বিশেষ অভিযানে ৩৩ হাজারের কাছাকাছি গ্রেফতার

দেশব্যাপী চলমান বিশেষ অভিযানে গত ১ মে থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত ৩২ হাজার...

নদীর পানি বৃদ্ধিতে উদ্বেগ, রংপুরে বন্যার পূর্বাভাস

দেশের চার জেলার পাঁচটি পয়েন্টে নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্...

মেসির সামনে ম্যারাডোনার আরেক রেকর্ড

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিওনেল মেসির সামনে অপেক্ষা করছে আরেক...

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় একজ...

কারবারি নয়, ধরা পড়ে বাহক

মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই বারবার আইনের আওতায় আসে, অথচ প্রকৃত...

রাস্তাসহ স্লুইস ধস, পানিবন্দি সাত গ্রামের মানুষ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সোনাতলা নদীর পানির প্রবল স্রোতে সদরপুর স্লুইস রাস্তাসহ ভে...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা