ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। সর্বশেষ গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত আবাসিক ভবনের নিচ থেকে ১৯টি মরদেহ উদ্ধার করেছে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু বলে জানা গেছে।
ভারী যন্ত্রপাতির সংকটের কারণে উদ্ধারকারীদের অনেকটা হাতের সাহায্যেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করতে হচ্ছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) চার দিন ধরে চলা উদ্ধার অভিযান শেষে গাজার পশ্চিমাঞ্চলের ‘কারাম’ ভবনটির ধ্বংসস্তূপ থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকাজ তদারককারী মোহাম্মদ আবু দান জানান, ‘কারাম’ ভবনে টানা চার দিন তল্লাশি চালানোর পর উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। এখন বিশেষায়িত চিকিৎসাকর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের উদ্ধারকারী দল গাজা সিটির অন্য একটি এলাকায় যাবে। সেখানে নতুন করে তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ শুরু করা হবে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারী কংক্রিটের স্ল্যাব সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধারকারীরা বর্তমানে সীমিত ও অপ্রতুল সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন। প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রম করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের সন্ধান ও মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইসরাইলি হামলার পর এসব ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পুরো ভূখণ্ডে এখনো ৮ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।
আমার বাঙলা/ রাব্বি