:
ঢাকা-বরিশাল আকাশপথে যাত্রী চাহিদা থাকলেও এ রুটে পর্যাপ্ত ফ্লাইট না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিয়মিত যাত্রীরা। একসময় প্রতিদিন একাধিক ফ্লাইট চলাচল করলেও বর্তমানে সপ্তাহে মাত্র তিন দিন একটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে অনেক যাত্রী সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না।
বরিশাল বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতু চালুর আগে এ রুটে প্রতিদিন বাংলাদেশ বিমান, ইউএস-বাংলা ও নভোএয়ারের মোট ৮টি পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল করত। পরে ধাপে ধাপে সব বেসরকারি ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শুধু বাংলাদেশ বিমান সপ্তাহে তিন দিন—বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও রোববার—ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
নিয়মিত যাত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক বলেন, বুধবার জরুরি কাজে ঢাকা যাওয়ার প্রয়োজন হলেও সেদিন কোনো ফ্লাইট না থাকায় বৃহস্পতিবার যেতে হয়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “কাজের প্রয়োজনে প্রায়ই ঢাকা যেতে হয়। আকাশপথে কম সময়ে পৌঁছানো সম্ভব হলেও ফ্লাইট না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অথচ বৃহস্পতিবারের ফ্লাইটটি ছিল পরিপূর্ণ যাত্রীতে ভরা। তারপরও কেন ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে না, তা বোধগম্য নয়।”
ব্যবসায়ী আহসান উদ্দিন জালাল বলেন, “ঢাকা-বরিশাল রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনার মতো পর্যাপ্ত যাত্রী রয়েছে। তাই যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রতিদিন ফ্লাইট চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বরিশাল বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন ফ্লাইট না থাকায় সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাঁর মতে, বর্তমান যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হলে যাত্রীও আরও বৃদ্ধি পাবে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি