গুলশান-ধানমণ্ডি-বারিধারা- নিকেতন এই চার লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গুলশান-বনানী-বারিধারা-নিকেতন-ধানমণ্ডি লেকের দূষণ রোধ এবং পরিবেশগত উন্নয়নে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজধানীর লেকগুলোতে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও বাড়ানোর পাশাপাশি লেকগুলোর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যবস্থা নিতে নিদের্শনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।
বৈঠকে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার লেকগুলোর বর্তমান অবস্থা, দূষণের উৎস এবং সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ধানমণ্ডি লেকের সংস্কার, স্লাজ অপসারণ ও পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
রাজধানীর লেকগুলোর দূষণ রোধে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের পথ বন্ধ, ভবন ভিত্তিক এসটিপি স্থাপন এবং বিদ্যমান স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের বিস্তারিত জরিপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বৈঠকে বলা হয়েছে, গুলশান-বনানী এলাকায় শর্তসাপেক্ষে স্যুয়ারেজ বিল আদায় এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বা পানি সংগ্রহের জন্য এলাকা তৈরির বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গুলশান লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের উৎস ও মাধ্যম হিসেবে ছয়টি প্রাইমারি এবং ছয়টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পয়েন্ট দিয়ে লেকে দূষিত পানি ও পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ করছে। সমস্যা সমাধানে গঠিত কারিগরি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ উপস্থাপন করে।
বৈঠকে অংশ নিয়েছেন সরকারের গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিনের প্রশাসক আবদুস সালামপ্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এবিএম আবদুস সালাম সাত্তার, স্থানীয় সরকার সচিব শহিদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মমকর্তারা।
আমার বাঙলা/ মোশাররফ