চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, নগদ অর্থ বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মো. ফরিদুল আলম।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে পটিয়া পৌর সদরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে ডা. ফরিদুল আলম বলেন, একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের হুমকি ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নানা ধরনের প্রলোভনের মাধ্যমে ভোট কেনার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রমের সূত্র ধরে কিছু এলাকায় স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকে ভোট প্রদানের সঙ্গে শর্তযুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অনিয়ম ও ভয়ভীতির কারণে অনেক ভোটার নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এবং ভোটকেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। এতে নির্বাচনের পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রার্থী।
ডা. ফরিদুল আলম বলেন, ভোট প্রদান প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকারে হস্তক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হতে পারে। তিনি প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, সকল ভয়ভীতি ও প্রলোভন উপেক্ষা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট শাহজাহান মুহাম্মদ মহিউদ্দীনসহ স্থানীয় দলীয় ও জোট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আমারবাঙলা/এনইউআ