মাঝ আকাশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’ একটি যাত্রীবাহী বিমানের খুব কাছাকাছি চলে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্রেসিডেন্টের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের আকাশসীমায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সঙ্গে যোগাযোগের বিভ্রাটের কারণে মেরিন ওয়ান ও একটি বাণিজ্যিক বিমানের দূরত্ব এক মাইলেরও কমে আসে।
জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, ৪ আগস্ট ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে উড্ডয়ন করা একটি বাণিজ্যিক বিমান ও মেরিন ওয়ানের মধ্যে দূরত্ব কমে যাওয়ার ঘটনাটি তারা তদন্ত করছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই বলেন, মেরিন ওয়ান পরিচালনা করেন বিশ্বের অন্যতম দক্ষ পাইলটরা। এ ঘটনায় কখনোই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো বিপদের মধ্যে ছিলেন না।
মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, ঘটনার সময় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা বাণিজ্যিক বিমানের পাইলট ও মেরিন ওয়ানের ক্রুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। সংস্থাটি বলেছে, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার জন্য উড়োজাহাজের মধ্যে অনুভূমিকভাবে অন্তত ১ দশমিক ৫ মাইল এবং উল্লম্বভাবে ৫০০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আমেরিকান এয়ারলাইন্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনভয় এয়ার পরিচালিত একটি এমব্রেয়ার ই-১৭০ বিমান উড্ডয়ন করছিল। অন্যদিকে, মেরিন ওয়ান যাচ্ছিল অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটির দিকে, যেখান থেকে ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্দেশে রওনা হন।
এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনে একটি যাত্রীবাহী বিমান ও সেনাবাহিনীর ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হন। ওই ঘটনার পর ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দর ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়।
আমার বাঙলা/ রাব্বি