বল হাতে ফিরলেন পুরোনো সাকিব আল হাসান! না, অনেক উইকেট নেননি। ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। তবে এর মধ্যেই আছে একটা বিশেষত্ব।
সিপিএলে খেলা আগের ৫ ম্যাচে এক ইনিংসে সাকিব সর্বোচ্চ বোলিং করেছেন দুই ওভার। তাও ষষ্ঠ-সপ্তম বোলার হিসেবে। তবে আজই প্রথম সাকিব তাঁর বোলিং কোটা পূর্ণ করলেন। সেই পুরোনো দিনের মতো নতুন বলে পাওয়ার প্লেতে নিলেন উইকেটও।
সাকিব বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) আউট করেছেন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ওপেনার কলিন মানরোকে। যদিও ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত সাকিবের দল অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস জিততে পারেনি।
তারুবার ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে অ্যান্টিগা করেছিল ৭ উইকেটে ১৪৬ রান। অ্যালেক্স হেলস ও কিসি কার্টির ফিফটিতে এই রান ৮ বল হাতে রেখেই জিতে যায় নাইট রাইডার্স।
শুরুতে সাকিব মানরোকে ফেরালেও রানা তাড়ায় কোনো অসুবিধা হয়নি নাইট রাইডার্সের। কার্টি ও হেলসের ৮৭ রানের জুটিতেই আসলে তাদের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। চার নম্বরে নেমে নিকোলাস পুরান ১১ বলে ২৩ রান করে কাজটা আরও সহজ হয় দলটির। আজ ক্যারিয়ারের ৮৮তম টি-টোয়েন্টি ফিফটি পেয়েছেন হেলস, যা সর্বোচ্চ ফিফটি করা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ষষ্ঠ।
এর আগে ব্যাট হাতে সাকিবের ব্যর্থতা অবশ্য চলছেই। সর্বশেষ ম্যাচটিতে ২৫ রানের ইনিংসটি বাদ দিলে সাকিব এবারের সিপিএল সব ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন। আজও আউট হয়েছেন ১৪ বলে ১৩ রান করে।
ওপেনার জুয়েল অ্যান্ড্রুর ৪০ রানের ইনিংসের পর দুই পাকিস্তানি ইমাদ ওয়াসিম ও উসামা মিরের ৩৭ ও ৩৪ রানের ইনিংস ১৪৬ রান তুলেছিল অ্যান্টিগা। পাকিস্তান পেসার মোহাম্মদ আমির ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন। এই হারের পরও ৭ ম্যাচে ৩ জয়ে শীর্ষে সাকিবের অ্যান্টিগা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অ্যান্টিগা: ২০ ওভারে ১৪৬/৭ (অ্যান্ড্রু ৪০, ইমাদ ৩৭*; আমির ৩/২২, আকিল ২/২৫)।
নাইট রাইডার্স: ১৮.৪ ওভারে ১৫২/২( কার্টি ৬০, হেলস ৫৫*; সাকিব ১/২৫, সিলস ১/৩৫)।
ফল: নাইট রাইডার্স ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মোহাম্মদ আমির
আমারবাঙলা/জিজি