বাজারে প্রতিটি দোকানেই সব ধরনের পণ্য পর্যাপ্ত রয়েছে। অথচ অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে অনেকটাই। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও পুরোনো বাজার সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকায় দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে ভোগ্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরবে না।
গতকাল রোববার রোজার চতুর্থ দিনে বাজারের উত্তাপ আরও কিছুটা বেড়েছে। মনোহরদী বাজারে ঢুকতেই কোলাহলের সঙ্গে মিশে আসে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ। ক্রেতাদের মুখে তৃপ্তির চেয়ে চিন্তার ছাপই বেশি। হাতে ব্যাগ নিয়ে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরছেন অনেকে। দাম জিজ্ঞেস করছেন, আবার কিছু না কিনেই সরে যাচ্ছেন।
বাজারে প্রায় সব সবজির দামই বাড়তি। লেবুর দাম শুনে থমকে গেলেন এক ক্রেতা। ছোট আকারের লেবুর হালি ৮০ টাকার নিচে নেই। মাঝারি ও বড় লেবু বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, রোজার শুরুতেই লেবুর দাম ঊর্ধ্বমুখী।
শুধু লেবুই নয়, বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে শসা ও বেগুনও। প্রতি কেজি শসা এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রোজার আগে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। বেগুনের কেজি ১২০ টাকা।
মনোহরদী বাজার, চালাকচর বাজার, শেখের বাজার ও হাতিরদিয়া বাজার ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। ইফতার ও সেহরিতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে। একই সঙ্গে মাছ ও মাংসের বাজারেও রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।
ক্রেতাদের দাবি, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ছাড়া বাজারে স্বস্তি ফেরানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আমারবাঙলা/এসএ