ফেনীর দাগনভূঞা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে দাগনভূঞা আতাতুর্ক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
এ সময় বৃত্তি পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন;-
ফেনী-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ, দাগনভূঞা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. ইসমাইল হোসেন, আতাতুর্ক সরকারি মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মিজানুর রহমান।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের উপজেলা আমির গাজী সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটওয়ারী, ৬নং ইউপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসলাম হোসেন (কেরানি), সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এম. এ. তাহের পণ্ডিত, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত তুহিন, স্কুল পর্যবেক্ষক- নিউজ২৪ জেলা প্রতিনিধি ইয়াছিন সুমন, দৈনিক কালোবেলা জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, কলকণ্ঠ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, বাজার ব্যবসায়ী কমিটির উপদেষ্টা মো. ইসমাইলসহ আরও অনেকে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান বলেন, “প্রথমবারের মতো এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মেধা উন্নয়নে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমি আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
পরিদর্শন শেষে ফেনী-৩ আসনের জামায়াত-মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, “কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এমন আয়োজন করায় আমি ব্যক্তিগতভাবে আনন্দিত। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মায়েদেরও বিশেষ ধন্যবাদ জানাই, যারা বাবার দায়িত্ব পালন করে সন্তানদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন।”
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ বলেন, “বৃত্তি পরীক্ষা প্রতিযোগিতামূলক হলেও এত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ আমাকে খুবই আনন্দ দিয়েছে। শিক্ষার মাধ্যমেই জাতি গঠন হয়, আর মেধার বিকাশে বৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”
আমারবাঙলা/এসএ