ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে ঢাকাস্থ ৭ কলেজের শিক্ষক এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি তথা শিক্ষা মন্ত্রণালয় জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। আজ ৭ কলেজের শিক্ষকবৃন্দ ঢাকা কলেজ অডিটরোমে এক জরুরী সভায় মিলিত হন। সভায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে জারিকৃত ভর্তি ও শ্রেণী কার্যক্রম বিষয় দীর্ঘ আলোচনা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে কলেজের শিক্ষকদের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা আইনসিদ্ধ নয়। সভায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমের সাথে যুক্ত প্রশাসককে অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়। দ্রুততম সময়ে ৭ কলেজের স্বতন্ত্র কাঠামো বজায় রেখে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি করে সমস্যার সন্তোষজনক ও স্থায়ী সমাধানের দাবি করা হয়।

৭ কলেজের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আমার বাঙলাকে জানানো হয় যে, ১৭/১১/২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিটিং পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে ১৬/১১/২০২৫ তারিখে চিঠি ইস্যু করে আহ্বান করা হয়। এমনকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে সভার বিষয়ে জানানোই হয় নাই। সাত কলেজের এলামনাই মাহমুদুর রহমান মান্না, মীর সরফত আলী সপু এবং হেলেন জেরিন খানকে সভা সম্পর্কে অবহিত করা হয় নাই। তড়িঘড়ি করে মীর সরফত আলী সপু ও হেলেন জেরিন খান যেতে পারলেও মাহমুদুর রহমান মান্না সভায় উপস্থিত হতে পারেন নাই। আবার মীর সরফত আলী সপু ও হেলেন জেরিন খানকে সভায় যুক্তি সংগত বক্তব্য প্রদানের সুযোগও দেওয়া হয় নাই।
সভায় প্রাথমিকভাবে আগামী ১৮,১৯ ও ২০ নভেম্বর ২০২৫ সর্বাত্মক কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান পাবলিক পরীক্ষাসমূহ এ কর্মসূচির আওতা মুক্ত থাকবে।
আমার বাঙলা/আরএ