রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন | ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

চীনে গেলেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীনে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

স্থানীয় সময় রবিবার (৩১ আগস্ট) উত্তর চীনের তিয়ানজিন শহরে অবতরণ করেছেন তিনি।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন পুতিনসহ প্রায় ২০ জন বিশ্বনেতা।

বুধবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানী বেইজিংয়ে এক বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার এবং সোমবার বন্দর নগরীতে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলন হবে।

সেখানে চীন, ভারত, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং বেলারুশ ছাড়াও আরও ১৬টি দেশ পর্যবেক্ষক বা ‘সংলাপ অংশীদার’ হিসেবে যুক্ত থাকবে। রাশিয়া এবং চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে তিয়ানজিনে পা রাখেন পুতিন।

প্রায়ই এসসিওকে ন্যাটো সামরিক জোটের বিকল্প হিসেবে দাবি করে থাকে চীন ও রাশিয়া। শনিবার চীনের সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, এই শীর্ষ সম্মেলন সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ এবং হুমকি মোকাবিলায় এসসিওর ক্ষমতাকে শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, এই সবকিছুই একটি ন্যায্য বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা গঠনে সাহায্য করবে।

তাইওয়ানের ওপর চীনের দাবি এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ফলে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের সঙ্গে দেশ দুটির সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইজিং এবং মস্কো প্রভাব অর্জনের জন্য এসসিও’র মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে আগ্রহী।

সিঙ্গাপুরের নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ডিলান লোহ বলেন, চীন দীর্ঘদিন ধরেই এসসিওকে একটি পশ্চিমা-নেতৃত্বের বাইরে একটি শক্তিশালী ব্লক হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে যা একটি নতুন ধরণের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে উৎসাহিত করে। তাদের দাবি, এটা আরও বেশি গণতান্ত্রিক হবে।

ডিলান লোহ বলেন, সংক্ষেপে এটি চীনের-প্রভাবিত বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা প্রদান করে যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পশ্চিমা-প্রভাবিত ব্যবস্থা থেকে আলাদা।

২০০১ সালে এই ব্লক প্রতিষ্ঠা হয়। এর সবচেয়ে বড় বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানসহ ২০ জনেরও বেশি নেতা যোগ দেবেন।

এর আগে চীনে পৌঁছান ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার (৩০ আগস্ট) দেশটির বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এমন এক সময়ে মোদি চীনে গেলেন, যখন তার দেশের রফতানি পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মোদি এ সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবেন। গত বছর রাশিয়ার কাজানে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠক করেন মোদি। সূত্র: রয়টার্স

আমারবাঙলা/এফএইচ

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে নারাজ জাপান

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের নির...

নগদ অর্থ- স্বর্ণালংকার বহনের জন্য এসকর্ট সার্ভিস চালু হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

ঈদে ফাঁকা ঢাকায় চুরি, ছিনতাই ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে টহল কয়েক গুণ বাড়ানো...

পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্র...

ঈদের আগে সংসদের শেষ বৈঠক শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্...

শেকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বার বার ফিরে আসবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

যারা বলেন আমরা কেনো মাঠে ঘাটে গিয়ে খাল খনন কেন করতেছি? তাদের বলতে চাই- আমাদে...

ফারাক্কা বাঁধ দেওয়ায় খাল ও নদীগুলো আজ অস্তিত্ব সংকটে: প্রতিমন্ত্রী

ৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ফারাক্কায় বাঁ...

শবে কদরে যেসব রহমত নাজিল হয়

শবে কদর পবিত্র রমজান মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত রাত। এই রাতের মর্...

লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে: শিক্ষামন্ত্রী

স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা...

সারাদেশে খাল খননে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা