এশিয়ান গেমসে হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। শক্তিশালী উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০ গোল হজম করার পর, আজ বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-০ গোলে হেরেছে আফিদা খন্দকারের দল। এর মধ্য দিয়ে দুই ম্যাচে মোট ১৬ গোল হজম করতে হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে সিনিয়র খেলোয়াড়দের বাইরে রাখায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কোচ পিটার বাটলার। তবে আজ ঋতুপর্ণা, তহুরা ও মনিকাদের নিয়ে শক্তিশালী একাদশ সাজান তিনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণাত্মক খেলে বাংলাদেশকে চাপে রাখে। তবে প্রথমার্ধে বেশ ভালোভাবেই লড়েছে বাংলাদেশ। ১৭ মিনিটে কর্নার থেকে কিম মিং জি এবং ৪২ মিনিটে ফরোয়ার্ডের দারুণ শটে গোল দুটি হজম করে বাংলাদেশ। গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা এই অর্ধে কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করে ব্যবধান বাড়তে দেননি। প্রথমার্ধ শেষে কোরিয়া মাত্র ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে সেই প্রতিরোধ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এই অর্ধে খেই হারিয়ে নিয়মিত বিরতিতে আরও চার গোল হজম করে বাংলাদেশের মেয়েরা । ইনজুরি সময়ে শেষ গোলটি হলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৬-০। দ্বিতীয়ার্ধে সুইডিশ প্রবাসী ফুটবলার আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী গোলের একটি সুযোগ পেলেও তার কোনাকুনি শট পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের মুখোমুখি হবে ঋতুপর্ণারা। গত বছর এই মিয়ানমারকে হারিয়েই প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। তবে এবারের গেমসে দুই কোরিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর কোচ পিটার বাটলারের কৌশল ও দলের প্রস্তুতি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
আমার বাঙলা/রাজীব