স্পেন-পর্তুগাল মধ্যকার শেষ ষোলোর লড়াইয়ের প্রথমার্ধ ছিল বেশ রোমাঞ্চকর। একের পর এক আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে দুদল। সেই তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধ ছিল অনেকটাই ম্যাড়ম্যাড়ে। স্পেনের আক্রমণ সামলাতেই সময় কাটিয়েছে পর্তুগিজরা। এভাবেই শেষ হয় ৯০ মিনিট। অবশেষে যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর করা গোলে জয়
নিশ্চিত করে স্পেন।
এর মধ্য দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলো স্পেন। আর শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেন ও পর্তুগাল ফুটবল দল। ম্যাচের ১২ মিনিটেই দুদল অন ও অফ টার্গেটে শট নিয়েছে মোট সাতটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটে তো লিড পেয়েই যেত স্পেন। বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ওইয়ারজাবাল। তার সামনে ছিল কেবল পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। কিন্তু ওইয়ারজাবালের নেওয়া শটটি লক্ষ্যে ছিল না। সাইডবারের পাশ দিয়ে চলে যায় বলটি। সে যাত্রায় বেঁচে যায় পর্তুগাল।
এর মধ্য দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলো স্পেন। আর শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেন ও পর্তুগাল ফুটবল দল। ম্যাচের ১২ মিনিটেই দুদল অন ও অফ টার্গেটে শট নিয়েছে মোট সাতটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটে তো লিড পেয়েই যেত স্পেন। বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ওইয়ারজাবাল। তার সামনে ছিল কেবল পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। কিন্তু ওইয়ারজাবালের নেওয়া শটটি লক্ষ্যে ছিল না। সাইডবারের পাশ দিয়ে চলে যায় বলটি। সে যাত্রায় বেঁচে যায় পর্তুগাল।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলাতেও নিজেদের গতি ধরে রাখে স্পেন। অন্যদিকে পর্তুগাল ছিল অনেকটাই নিষ্প্রভ। স্প্যানিশদের একের পর এক আক্রমণ ঠেকাতেই ব্যস্ত থাকেন পর্তুগালের ডিফেন্ডাররা। এভাবেই কেটে যায় ৯০ মিনিট।
এমতাবস্থায় মনে হচ্ছিল অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে ম্যাচটি। কিন্তু ম্যাচের নাটকীয়তা তখনও বাকি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করে বসেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা মিকেল মেরিনো। ফেররান তোরেসের দেওয়া পাসে গোলটি করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন স্প্যানিশরা।
আমার বাঙলা/ রাব্বি