অর্থমন্ত্রী বলেন, কঠিন সময়ে প্রণীত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে বের করে সম্ভাবনার নতুন পথে এগিয়ে নেবে। বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। এই বাজেট বাংলাদেশের জন্য এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। লক্ষ্য হলো, সেই সম্ভাবনাগুলোকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো।
তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ; সবই আসছে। চট্টগ্রামের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। কারণ এখানে বন্দর রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থান। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সরকারের পরিকল্পনায় চট্টগ্রামকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামে একসঙ্গে একাধিক বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার যে পরিকল্পনার কথা আগে বলা হয়েছিল, এবারের বাজেটে তার প্রতিফলন ঘটেছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের হাবে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে আগের সরকারগুলোর রেখে যাওয়া পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনীতি বর্তমানে কঠিন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তাই প্রথমে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে, এরপর সম্ভাবনার পথে এগোতে হবে। ইনশাআল্লাহ তৃতীয় বা চতুর্থ বছর থেকে দেশের কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধির পথচলা শুরু হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ তার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত হবে। সরকার যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, দেশ ধীরে ধীরে সেদিকেই এগিয়ে যাবে। নতুন নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ আসছে। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। তাই এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
আমার বাঙলা/ রাব্বি