মতামত
নতুন করে মুখোশধারীদের উত্থানের আশঙ্কা

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অর্জন নিয়ে প্রশ্ন,

তারেক হাছান চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ  প্রতিনিধি:

জুলাই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ফ্যাসিবাদী শাসন ও তার প্রভাব নির্মূল করা। তবে আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে সেই লক্ষ্য কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক সচেতন মহলের অনেকেই মনে করছেন, যে শক্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করেছিল, তাদের একটি অংশ এখনও বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জুলাই আন্দোলনের আগে “ফ্যাসিস্ট” শব্দটির ব্যবহার এতটা ব্যাপক ছিল না। আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা বিদ্যমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ফ্যাসিবাদী প্রবণতার অবসান ঘটানোর প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সমালোচকদের দাবি, আন্দোলনের পর কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী গোপনে পূর্বের ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সমঝোতা করে চলেছে। তাদের নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে এবং বিনিময়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করা হচ্ছে। ফলে ফ্যাসিবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হয়ে বরং নতুন রূপে, নতুন মুখোশে আরও বিস্তৃত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে অনেকে জানতে চেয়েছেন, যদি জুলাই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্যই হয়ে থাকে ফ্যাসিবাদ নির্মূল, তাহলে সেই লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে? তাদের মতে, পুরোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি দুর্বল হলেও নতুন করে মুখোশধারী ফ্যাসিস্টদের উত্থান ঘটছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একসময় যাদের ফ্যাসিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে অনেক নেতার ঘনিষ্ঠতা ও সমঝোতার অভিযোগও সামনে আসছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং আন্দোলনের প্রকৃত চেতনা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।

তাদের মতে, আদর্শ ও নীতির প্রশ্নে আপসের সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অর্জন ক্ষুণ্ন হতে পারে। একই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি কাউকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা সমঝোতার ব্যাখ্যা কী হতে পারে? এ পরিস্থিতি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ইন্দোনেশীয় নৌবহরে প্রথম বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীতে প্রথমবারের মতো যুক্ত হলো একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ।...

আট দফা দাবিতে ১১ দলের রংপুর অভিমুখে লংমার্চ শুরু

আট দফা দাবিতে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেত...

১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসায় সৌরবিদ্যুৎ

আগামী ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন। একই...

ঘরোয়া লিগ নিয়ে বিপাকে বিসিবি

জেলা পর্যায়ে ক্রিকেট লিগ আয়োজনের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছ...

আফগানদের বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা বাংলাদেশের

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বা...

শিল্পকলা একাডেমি ও হাইকোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি ও হাইকোর্টের সামনের সড়কে পৃথক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটন...

ভারতকে টপকে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ইংল্যান্ড

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারতকে পেছনে ফেলে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শী...

নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার ইমরান খানের বোন!

আসন্ন ২৭ সেপ্টেম্বরের দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে পাকিস্তানের কারাবন্দি প্...

সাগরে রহস্যজনক বস্তু ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের মর্যাদা পুনর্ব্যক্ত করার মাত্র কয়েক...

শান্তি, জলবায়ু ও গণতন্ত্রের এজেন্ডা নিয়ে জাতিসংঘে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কার্যকর ও ফলপ্রসূ সফরের জন্য যত দিন সময় প্রয়োজন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধি...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা