দেশের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকেরও বেশি আসে শুধু বোরো মৌসুমে। এর মধ্যে সাতটি হাওর জেলা দেয় প্রায় ২০ শতাংশ। কিন্তু এবার দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বিস্তীর্ণ জমির আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে। ফলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা তিন কোটি ৮০ থেকে তিন কোটি ৮৫ লাখ টন। বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে প্রায় তিন কোটি ৭৭ লাখ টন। পরের বছরে চাহিদা বেড়ে দাঁড়াতে পারে তিন কোটি ৯১ লাখ টনে, ফলে সরবরাহ ও চাহিদার ব্যবধান আরও বাড়বে। এক দশকের বেশি সময় ধরে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দাবি থাকলেও চলতি অর্থবছরেই দেশকে ১২ লাখ টন চাল আমদানি করতে হয়েছে। এবার প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার টন বোরো ধানের উৎপাদন হারানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে ।
দেশে প্রায় ১৩ লাখ টন চাল মজুত রয়েছে, যা স্বল্প মেয়াদে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চালের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হলে সারাবছরের জন্যই সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা রয়েছে। চালের দাম বেড়ে যেতে পারে। তাই দাম স্থিতিশীল রাখতে এখন থেকেই পরিকল্পনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
আমার বাঙলা/আরএ