সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার পৌরসদরের হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত হানিফ শেখ (২৩) উপজেলার পুখুরিয়া এলাকার রফিক শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (২২) ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় মাস আগে স্বামী-স্ত্রী হোগলাডাঙ্গী সদরদী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। রোববার (২৮ জুন) রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এরই জেরে সোমবার সকালে হানিফ শেখ ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হানিফ শেখের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম জানান, হাসপাতালে আনার সময় আহত ব্যক্তি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ভুগছিলেন। চিকিৎসকরা প্রথমে রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। আহত ব্যক্তির গোপনাঙ্গ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করা না গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকায় তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি