ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল

এসির চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে যেসব যন্ত্র

লাইফস্টাইল ডেস্ক

অনেকের ধারণা, ঘরে এসি ব্যবহারের কারণেই মূলত বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে। তবে বাস্তবে এমন কিছু নিত্যব্যবহার্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র রয়েছে, যেগুলো অল্প সময় চালালেও এসির তুলনায় বেশি বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। এসব যন্ত্রের বিদ্যুৎ খরচ নির্ভর করে মূলত তাদের পাওয়ার রেটিং ও কতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে—এই দুই বিষয়ের ওপর।

শীতকালে গোসলের পানি গরম করতে ব্যবহৃত ওয়াটার হিটার বা গিজার বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী যন্ত্রগুলোর অন্যতম। একটি সাধারণ গিজারের ক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ এটি এক ঘণ্টা চললে প্রায় ৩ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। অবশ্য গিজার সাধারণত দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা হয় না বলে এর প্রভাব সবসময় আলাদাভাবে চোখে পড়ে না।

চুল শুকানোর জন্য ব্যবহৃত হেয়ার ড্রায়ার আকারে ছোট হলেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। সাধারণ একটি হেয়ার ড্রায়ারের পাওয়ার রেটিং প্রায় ২২০০ ওয়াট। টানা এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে এটি প্রায় ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। যদিও বাস্তবে এটি কয়েক মিনিটের জন্য ব্যবহার করা হয়, তবু নিয়মিত ব্যবহারে মোট খরচ বাড়তে পারে।

দ্রুত রান্নার সুবিধার কারণে ইন্ডাকশন কুকারের ব্যবহারও বেড়েছে। তবে এ যন্ত্রটির বিদ্যুৎ চাহিদা তুলনামূলক বেশি। একটি সাধারণ ইন্ডাকশন কুকার প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে। ফলে এক ঘণ্টা চালালে আনুমানিক ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। নিয়মিত দীর্ঘ সময় রান্নার কাজে এটি ব্যবহার করলে মাসিক বিদ্যুৎ বিলে এর প্রভাব পড়তে পারে।

পানি গরম করা কিংবা চা-কফি তৈরিতে ইলেকট্রিক কেটলি এখন অনেক ঘরেই ব্যবহৃত হয়। সাধারণত প্রায় ২২০০ ওয়াট ক্ষমতার কেটলি এক ঘণ্টায় ২.২ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে। তবে কেটলি সাধারণত অল্প সময়ের জন্য চালানো হয় বলে মোট বিলের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম। কিন্তু দিনে একাধিকবার দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে খরচ বাড়তে পারে।

খাবার দ্রুত গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেনও এখন অনেকের দৈনন্দিন ব্যবহারের অংশ। এ ধরনের যন্ত্রের পাওয়ার রেটিং প্রায় ২১০০ ওয়াট হতে পারে। অর্থাৎ এক ঘণ্টা একটানা ব্যবহার করলে প্রায় ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে খাবার গরম করতে সাধারণত কয়েক মিনিটই প্রয়োজন হয়।

তাই বিদ্যুৎ বিল কমাতে শুধু এসির ব্যবহার কমালেই হবে না; বেশি ওয়াটের অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন হওয়া জরুরি। প্রয়োজন শেষ হলে এসব যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করে রাখা এবং অপ্রয়োজনে দীর্ঘ সময় চালানো এড়িয়ে চলা উচিত। ব্যবহারের সময় ও পাওয়ার রেটিং সম্পর্কে সচেতন থাকলে মাস শেষে বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

আমন্ত্রণ বিভ্রাট ও অনুপস্থিতির  প্রশ্নে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান

রাজীব দাস ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গতকাল শনিবার শুরু হয়েছে ১৮তম ব্রি...

লক্ষ্মীপুরে ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে লক্ষ্মীপুরে শুরু হয়েছে ডেঙ্গু...

সবার জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিকে...

বিচারের কাঠগড়ায় ইউপি সচিব

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য অস্তিত্বহীন ৭৪ শিশুকে জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু...

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অতীতের ১৫ বছর থেকে নতুন দিকে নিতে চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্ক 'রিসেট' বা নতুনভাবে শুরু করতে চায় উল্ল...

জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারি উদ্যোগে আশাবাদী ব্যবসায়ীরা

শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের দীর্ঘমে...

সাড়ে ৬ কোটি বছর পর মিলল ডাইনোসরের চলার পথ

জীবাশ্মবিদেরা এমন এক জীবাশ্ম পদচিহ্নের সন্ধান পেয়েছেন, যেটিকে পূর্ণবয়স্ক টাইর...

ভবিষ্যৎমুখী আইনেই এগোবে বাংলাদেশ

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার চাবিকাঠি বলে মন্ত...

শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি নয়, চাই মুক্তবুদ্ধির চর্চা

শিক্ষককে হতে হয় জ্ঞানের বাহক, বিবেক জাগ্রত করার সহযাত্রী এবং মানুষ গড়ার কারিগ...

এশিয়া কাপের ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল বিসিসিআই

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এশিয়া কাপের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা