পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও কাউখালী ডিগ্রি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অলোক কুমার কর্মকারকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন।
এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উজিয়ালখান মদন মোহন জিউর আখড়াবাড়ির গেটের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক অলোক কুমার কর্মকারের বয়স ৫৫ বছর। তিনি উপজেলার আমরাজুড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাজান এলাকার মৃত চিত্তরঞ্জন কর্মকারের ছেলে। তিনি কাউখালী ডিগ্রি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মো. মহিউদ্দিন শেখ ও এএসআই মো. খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের নাশকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, অলোক কুমার কর্মকার গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, ২০২৪ সালের ১৩ অক্টোবর কাউখালী থানায় বিস্ফোরক আইনের ৩/৪/৬ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৪৩/১৪৯/৪৪৮/৪২৭/৩৮০ ধারায় একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়।
কাউখালী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কেউ যাতে নাশকতা, সহিংসতা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও মামলার বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাউখালীতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না।’
আমার বাঙলা/ রাব্বি