২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিওনেল মেসির সামনে অপেক্ষা করছে আরেকটি ঐতিহাসিক কীর্তি। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামলেই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক ভেঙে দিতে পারেন দিয়েগো ম্যারাডোনার ৩৯ বছর ধরে অক্ষত থাকা বিশ্বকাপ রেকর্ড।
এবারের আসরে ছয় ম্যাচে আট গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি। তবে শুধু গোল নয়, আক্রমণভাগে সামগ্রিক অবদানেও নজর কেড়েছেন ইন্টার মিয়ামির এই ফরোয়ার্ড।
পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টা জো-এর তথ্য অনুযায়ী, একক বিশ্বকাপ আসরে গোলের সুযোগ তৈরিতে ও শট নেওয়ার সমন্বিত হিসাবে ইতিহাসের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন মেসি। চলমান বিশ্বকাপে তার শট ইনভলভমেন্টের সংখ্যা ৫৪। এর মধ্যে ৩৩টি শট তিনি নিজে নিয়েছেন এবং ২১টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন সতীর্থদের জন্য।
এই রেকর্ডে এখনো সবার ওপরে রয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পথে তিনি ২৯টি শট নেওয়ার পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য ৩০টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। মোট ৫৯টি শট ইনভলভমেন্টের সেই কীর্তি চার দশকের কাছাকাছি সময় ধরে অক্ষত রয়েছে।
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর মাত্র পাঁচটি শট ইনভলভমেন্ট যোগ করতে পারলেই ম্যারাডোনার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবেন মেসি।
বুধবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামলেই সেই রেকর্ড স্পর্শ কিংবা ভেঙে দেওয়ার সুযোগ পাবেন মেসি। বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় এমন কীর্তি গড়ার সম্ভাবনাও বেশ উজ্জ্বল।
আরও একটি বিষয় এই ম্যাচকে বিশেষ করে তুলেছে। ক্যারিয়ারে এবারই প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা। তাই ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তোলার লক্ষ্যও থাকবে তার সামনে।
ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন নিজের করে নেওয়া মেসির সামনে এখন আরও একটি স্মরণীয় রেকর্ড যোগ করার সুযোগ এসে দাঁড়িয়েছে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি