ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হওয়ার চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে খামেনির জানাজা ও শোকানুষ্ঠান হচ্ছে। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) শুরু হওয় সপ্তাহব্যাপী এই শোকানুষ্ঠান। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে লাখো মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
শনিবার (৪ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। খামেনির প্রয়াণে ইরানিদের স্বতঃস্ফূর্ত শোকের চিত্র দেখে নিজের ধারণা ভুল প্রমাণিত হওয়ার কথা স্বীকার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে’।
তার মতে, এই ধরনের কোনো চরম পদক্ষেপ নিলে পরবর্তীতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য ওপাশে আর কোনো মানুষই অবশিষ্ট থাকবে না, তাই তিনি এই ধরনের হুমকি বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকছেন।
এর আগে তিনি দাবি করেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও শোকানুষ্ঠানের জন্য ওয়াশিংটন তেহরানকে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাউথ ডাকোটার মাউন্ট রাশমোরে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘আমরা ভালো মানুষ বলেই তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’
আমার বাঙলা/ রাব্বি