প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী আহলা (ধলঘাট) গ্রামে অবস্থিত হারগাজী খাল পানির স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। দীর্ঘদিনের খাল ভাঙনের আতঙ্কে থাকা স্থানীয়রা এখন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দের কাজ আহলা গ্রামে ৯নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আহলা শ্রী শ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির থেকে লোকনাথ মন্দির পর্যন্ত প্রায় হাফ কিলো. ১০ ফুট পাকা রাস্তা ও ২১০ মিটার খাল ভাঙ্গন রোধে তীর সংরক্ষণের কাজ এখন শেষের পথে।
১০ নং আহলা করলডেঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান ও ইউপি সদস্য হারুনুর রশীদ চৌধুরী কাজের গুণগত মান ও সময়সীমা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছে। হামিদুল হক মান্নান এর সার্বিক সহযোগিতায় রাস্তার উন্নয়নের কাজ এখন দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। জানা গেছে, হারগাজী খাল ভাঙ্গন তীরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন প্রতিরোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ এর কাজ শেষ হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর ধরে খাল ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তা বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। এবার তীর সংরক্ষণ ও রাস্তার উন্নয়ন কাজের ফলে এলাকার মানুষ ভাঙনের ভয় কাটিয়ে স্বত্বি ফিরে পেয়েছে। এতে এলাকাবাসী চেয়ারম্যান মহোদয়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে তিন ইউনিয়নের ৮ গ্রামের লাখো মানুষ যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। বোয়ালখালী ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের ভাঙন ঝুঁকি স্থায়ীভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাজ শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এবং ২০২৬ সালের জুন মাসে সমাপ্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
সরেজমিন দেখা যায়, হারগেজী খালের ভাঙনে জিও ব্যাগ ও ইট বিছানোর গ্রামীণ সড়কটি প্রায়ই শেষের পথে। ১০নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হামিদুল হক মন্নান বলেন, হারগেজী খালের ভাঙ্গন ও রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলে ৯নং ওয়ার্ড ও ১ লাখ বাসিন্দা এখন সুফল পাবে। এখন আর কোন কাঁদা মাটি থাকবে ন, যাতায়ত ব্যবস্থা ও ভালো হবে। বতর্মান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে রাস্তা উন্নয়ন এবং খাল রক্ষার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও প্রকল্প গ্রহণ করেছে তারই ধারাবাহিকতায় আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।