আইআরজিসির দাবি, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই হামলার মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে। আইআরজিসি সতর্ক করে জানায়, শত্রুপক্ষের যেকোনো হামলা বা উসকানির জবাব কঠোরভাবে দেয়া হবে, লক্ষ্যবস্তু ছোট হোক কিংবা বড়—কোনো ক্ষেত্রেই ছাড় দেয়া হবে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন স্থাপনাগুলোতে এখন পর্যন্ত হতাহতের ঘটনা, বড় ধরনের প্রভাব বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি এখনও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বিস্তারিত তথ্য আসা বাকি।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, তারা ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কয়েক ঘণ্টার মাথায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সপ্তাহ দুয়েক আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে সইয়ের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ঘটনা।
আমার বাঙলা/ রাব্বি