সরকারি বাসা ছাড়েননি—এমন অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব ছাড়ার পর নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তিনি সরকারি বাসা বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং বর্তমানে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘দুই মাস আগে পদত্যাগ করেও সরকারি বাসায় আসিফ ও মাহফুজ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আসিফ মাহমুদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর একই মাসের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত সরকারি বাসভবন ‘নিলয়–৬’ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে তিনি নিজের ভাড়া বাসা থেকেই রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তিনি আরও জানান, সরকারি আবাসন নীতিমালা অনুযায়ী দায়িত্ব ছাড়ার পর সর্বোচ্চ দুই মাস সরকারি বাসায় থাকার সুযোগ থাকলেও তিনি সেই সুবিধা গ্রহণ করেননি। বরং দায়িত্ব ছাড়ার মাত্র ২১ দিনের মধ্যেই বাসাটি বুঝিয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া কাগজপত্র যাচাই করলেই এই তথ্যের সত্যতা পাওয়া যাবে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মচারীরাও বিষয়টি অবগত আছেন যে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওই বাসায় বসবাস করছেন না। উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমানের কাছেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাসার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে খবরটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাসা হস্তান্তরের প্রমাণস্বরূপ জমাদানের কপিও জনসম্মুখে প্রকাশ করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, আসিফ মাহমুদ ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।
আমারবাঙলা/এসএবি