টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আবারও একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অভিযান চালিয়েছে দেশটি। শনিবার (২৭ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে তাহরুই গ্রামের আশপাশে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এ এলাকাটিতে শুক্রবারও মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছিল। এ ছাড়া কেশম দ্বীপেও হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণ না করলে শনিবারের এই হামলা আরও ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তিনি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইরানের কঠোর সমালোচনা করেন। যদিও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করে আসছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না। এমন চলতে থাকলে আমরা একসময় আর ধৈর্য ধরতে পারব না। আমরা যে কাজ সফলভাবে শুরু করেছি, তা সামরিকভাবে শেষ করতে বাধ্য হব। যদি এমন কিছু ঘটে, তাহলে ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
এর আগে শনিবার ভোরে পানামার পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘কিকু’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় অজ্ঞাত একটি প্রক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ হামলায় কোনো নাবিক আহত হননি এবং বহন করা তেলেরও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সেন্টকম জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারটি ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। এটি আত্মঘাতী ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘মেরিনট্রাফিক ডটকম’ জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারটি বৃহস্পতিবার আল শাহীন তেলক্ষেত্র থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। রোববার এর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।
আমার বাঙলা/ রাব্বি