যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইরান। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যাপক জনসমাগমের আশা করা হচ্ছে। তবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইরানের সামনে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরুর আগে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) শুক্রবার আগামী দিনগুলোতে দেশটিকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের হামলার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। আইআরজিসি বলেছে, যেকোনো ভুলের জবাব আগের চেয়েও কঠোরভাবে দেওয়া হবে। কেউ কোনো ভুল করলে তার এমন জবাব দেওয়া হবে, যা তাদের লজ্জাজনক ইতিহাসে চিরকালের জন্য লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।
এর আগে সোমবার ইসরায়েলি সংবাদ সংস্থা ওয়াইনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার এ মন্তব্যের পর আইআরজিসি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
খামেনির জন্য আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে ব্যাপক লোকসমাগমের আশা করা হচ্ছে। ফলে এসব স্থানে কোনো হামলা হলে হাজার হাজার মানুষ নিহত হতে পারেন। অন্যদিকে জনসমক্ষে আসা ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তারাও গুপ্তহত্যার অতিরিক্ত ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
শুক্রবার রয়টার্সের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, দাফন প্রক্রিয়া শুরুর আগে তেহরানের রাস্তায় নিরাপত্তাকর্মীরা টহল দিচ্ছেন। ইরান আগামী সোমবার তেহরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি