পুলিশের সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করলে মন্ত্রী এ অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। জাইকা মাধ্যমে মেট্রোরেল, বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ বড় প্রকল্পে জাপান বিনিয়োগ করেছে। জাপান ডিএমপির ট্রাফিক সেফটি প্রকল্পে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এজন্য কয়েকটি প্রস্তাব দেওয়া হবে।
এর আগে, সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু এবং অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর মাধ্যমে মেট্রোরেল ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ দেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও জাপানের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রস্তাব দেবে।
চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানান রাষ্ট্রদূত। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বসবাসরত জাপানি নাগরিক, বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাপান দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আমারবাঙলা/এসএবি