মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও বল হাতে দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের পর শরিফুল ইসলামের জোড়া উইকেটে শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। তার বলে ম্যাট রেনশের ক্যাচ স্লিপে তালুবন্দী করেন তানজিদ হাসান তামিম। জেক ওয়েদারাল্ডের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া রেনশ ৮ রান করে ফেরেন। ২২ রানেই প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
এরপর অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে এসে জোড়া আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। ওভারের দ্বিতীয় বলেই অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ট্র্যাভিস হেডকে ফিরিয়ে দেন বাঁহাতি এই পেসার। ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হওয়ার আগে হেডের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান।
এর মাত্র চার বল পরই দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন শরিফুল। তার দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন মার্নাস লাবুশেন। মাত্র ৯ বলে ৪ রান করেন এই অজি ব্যাটার।
শরিফুলের জোড়া আঘাতে ৪১ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ব্যাট হাতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করার পর বল হাতেও দারুণ শুরু করেছেন এই বাঁহাতি পেসার। তার বোলিংয়ে ম্যাচে লড়াইয়ের অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ।
এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে মাত্র ৬৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরিফুল ইসলাম। ব্যাট হাতে দলের সেরা হওয়ার পর বল হাতেও প্রথম স্পেলেই জোড়া আঘাত করে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছেন তিনি।
আমার বাঙলা/ রাব্বি