বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। শুক্রবার দিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, সফরটি নিয়ে মন্তব্য করার মতো নতুন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সফরসংক্রান্ত কোনো হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেলে তা সাংবাদিকদের জানানো হবে।
এর আগে মঙ্গলবারও রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন করে বলার মতো কোনো তথ্য ভারতের হাতে নেই।
এদিকে, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, সফরের বিষয়ে আলোচনা চললেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর নয়াদিল্লিতে এটি হতে পারে তারেক রহমানের প্রথম সফর। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টিও ঢাকার আলোচনায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশ একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে। তবে ভারত জানিয়েছে, বিষয়টি তারা পর্যালোচনা করছে।
এদিকে, সম্প্রতি দিল্লিতে একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন।
অন্যদিকে, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সম্ভাব্য সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার গুঞ্জন এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি তিনি।
আমার বাঙলা/ রাব্বি