আগামী দিনগুলোতে নির্ধারিত সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধার অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত বর্তমান সরকার যতদিন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, ততদিন শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের হয়রানি, ভোগান্তি কিংবা মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্যও থাকবে না।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া শিক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সবসময় ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেন। বিশেষ করে নারীদের একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার ক্ষেত্রে তার উদ্যোগ ও ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা বিস্তারে তার চালু করা ‘শিক্ষা উপবৃত্তি’ এবং নারীদের বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি বিভিন্ন দেশে শিক্ষার প্রসারে মডেল হিসেবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পতিত ও পরাজিত ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যাংক-বীমাসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত থেকে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছিল। সেই লুটপাট থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের স্বার্থরক্ষায় গঠিত অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের দুটি তহবিলও রেহাই পায়নি।
তিনি আরও বলেন, জাল ইনডেক্স তৈরি, লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করতে শিক্ষকদের কল্যাণ তহবিলের অর্থ দুর্বল ব্যাংকে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ধ্বংসের মাধ্যমে তহবিল দুটিকে প্রায় দেউলিয়া করে ফেলা হয়েছিল।
আমার বাঙলা/ রাব্বি