নির্বাচনের সময় বহিষ্কৃত একটি স্বার্থান্বেষী মহল ধানের শীষকে পরাজিত করতে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি বলেন, বর্তমানে ওই মহল ঈশ্বরদীর বালুঘাটসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অবৈধ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত।
হাবিবুর রহমান হাবিব আরও বলেন, জনগণের ভোটের রায় ছিনতাই করে অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল এমপি হয়েছেন। তিনি জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নন। ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীই জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি। ভোট চুরি ও চক্রান্তের মাধ্যমে নির্বাচিত তথাকথিত এমপিকে ঈশ্বরদীর জনগণ কখনো মেনে নেবে না।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ঈশ্বরদীর সাহাপুর গোলচত্বর এলাকায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক সংকট নিরসন ও উত্তরণ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ঈশ্বরদীর বালুঘাটসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ওই মহলের লোকজন অবৈধ চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ জনগণ কিংবা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঈশ্বরদী থানা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল ইসলাম বলেন, হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া ও সুযোগসন্ধানী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অপপ্রচারে নেমেছে।
ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজনের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও পৌর মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নয়ন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলী, ঈশ্বরদী থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জুলফিকার মতিন (লিপন), সলিমপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মো. সেলিম হোসেন মণ্ডল, পাবনা জেলা কৃষকদলের সদস্য ও সলিমপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য সচিব মো. ওমর শরিফ হানিফ মহলদার এবং সলিমপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু দাউদ।
সভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আমার বাঙলা/ রাব্বি